Tuesday, 16 June 2026

গান👉 হৃদয়ে তুফান। ছড়াকার👉 কিশোর দুলাল রায়

হৃদয়ে তুফান 
কিশোর দুলাল রায় 

তোর ওই চোখের ইশারায়,
মনটা আমার উড়ে যায়।
কী যে এক জাদু করলি রে তুই,
বুকেরই ভেতর ঝড় বয়ে যায়!
​আজকে রাতে হবে না তো ঘুম,
হৃদয়ে লেগেছে প্রেমের ধুম।
আয় না কাছে, আর দূরে থাকিস না,
প্রেমের এই বাজিটা তুই হারিস না!

তুই যেন এক মিষ্টি হাওয়া,
তোর কাছেই তো সব চাওয়া।
তোর হাসিতেই মনটা হারায়,
মন যে আমার মাতাল পাড়ায়!
​হেই... দেখ না চেয়ে আমার দিকে,
তুই ছাড়া সব লাগে ফিকে।
আজকে রাতে হবে না তো ঘুম,
হৃদয়ে লেগেছে প্রেমের ধুম!

তুই আমার ধামাকা, প্রেমের ইশারা,
তোকে ছাড়া বেঁচে থাকা যে দিশাহারা।
তুই আমার ধামাকা, বুকে দিলি টান,
তোর জন্য দিয়ে দেবো আমার এই জান!

তোর ওই ঠোঁটের মিষ্টি হাসি,
আমায় করায় শুধু যে রূপসী।
কাছে আয় না ওরে আমার সোনা,
প্রেমের গল্পে হোক না নতুন সূচনা!
​রাতের তারা সাক্ষী থাক না,
মেলবো দুজনে প্রেমের ডানা।
আজকে রাতে হবে না তো ঘুম,
হৃদয়ে লেগেছে প্রেমের ধুম!

ধামাকা... প্রেমের ধামাকা!
তুই আমার বুকে দিলি টান...
তোর জন্য দিয়ে দেবো আমার এই জান!
হৃদয়ে তুফান... শুধু তুই আর আমি...
হ্যাঁ, তুই আমার সবচেয়ে দামি!

Monday, 15 June 2026

ছড়া👉ভালোবাসার প্রথম গোলাপ। ছড়াকার👉 কিশোর দুলাল রায়

ভালোবাসার প্রথম গোলাপ 
কিশোর দুলাল রায় 

আকাশ জুড়ে মেঘের মেলা, 
মনে খুশির কাঁপন,
তুমি এসে বদলে দিলে, 
আমার চেনা আপন।

মিটে গেল মনের মাঝে, 
যত ছিল ক্ষোভ-বিলাপ,
তোমার হাতেই রইলো আমার, 
ভালোবাসার প্রথম গোলাপ।
একলা রাতে চাঁদের আলো, 
লাগত বড় একা,
জানতাম না তো কবে হবে, 
তোমার সাথে দেখা।

ধূসর চুলে জড়িয়ে দিলে, 
সুখের এক আলাপ,
তোমার হাতেই রইলো আমার, 
ভালোবাসার প্রথম গোলাপ।
চোখের কোণে জমতো যে জল, 
হারিয়ে গেছে আজ,
তুমি আমার মেঘলা আকাশ, 
তুমি আমার সাজ।

ঘুচে গেল আঁধার রাতের, 
যত অনুতাপ,
তোমার হাতেই রইলো আমার, 
ভালোবাসার প্রথম গোলাপ।

জাফলং, সিলেট।

জাফলং, সিলেট।

Sunday, 14 June 2026

ছড়া👉কাল্লু মামার কাঁচি। ছড়াকার👉কিশোর দুলাল রায়

কাল্লু মামার কাঁচি

কিশোর দুলাল রায় 

​খচাখচ খচ কাঁচি চলে,

কাল্লু মামার সেলুনে,

রনি খোকন বসল গিয়ে

বিকেলের ওই বেলুনে!

​রনি বলে, "মামাগো,

চুলটা করো ছোট,"

কাল্লু মামা হেসে বলে,

"একটু চুপটি ওঠো!"

​ফিসফিসিয়ে চলে কথা,

উড়ে পড়ে চুল,

আয়না দেখে রনি খোকন

ভাবল একী ভুল!

​এদিক ওদিক ন্যাড়া মাথা,

ওপর পানে খাড়া,

এমন কাটিং দেখে খোকন

পুরোই দিশেহারা!

​কান্নামুখে রনি খোকন

চলল বাড়ির পানে,

সবাই বলে, "বাহ্ খোকন তো

নতুন সাজে জানে!"

​খুশি হয়ে রনি তখন

নাচে তা থৈ তা থৈ,

"কাল্লু মামার মতো ভালো

নাপিত আর তো কই!"

Saturday, 13 June 2026

ছড়া_তুমি আমার পহেলা বৈশাখ_ছড়াকার কিশোর দুলাল রায়


তুমি আমার পহেলা বৈশাখ 
কিশোর দুলাল রায় 

তুমি আমার নতুন বছরের প্রথম পহেলা বৈশাখ,
আমার চেনা চেনা জীবনে তুমি এক অচেনা ডাক।
রাঙা শাড়ির আঁচল যেমন বাতাসে দোলে,
তেমনি করে তুমিও যে আমায় নিলে কোলে।
তুমি আমার নতুন বছরের প্রথম পহেলা বৈশাখ...
বৈশাখী ওই মেলায় যেমন রঙের মেলা বসে,
তোমার চোখের এক ইশারায় মন যে আমার হাসে।
হাতে তোমার কাঁচের চুড়ি, কপালে ওই লাল টিপ,
আমার অন্ধকার এই মনে তুমি জ্বেলে দিলে প্রদীপ।
তুমি আমার নতুন বছরের প্রথম পহেলা বৈশাখ...
নতুন দিনের নতুন সূর্য যেমন আলো ছড়ায়,
তোমার ছোঁয়া আমার বুকে এক নতুন আশার গান গায়।
পুরোনো সব দুঃখ-গ্লানি যাক না ধুয়ে যাক,
আমাদের এই প্রেমের গল্প অমর হয়ে থাক।
তুমি আমার রোদ-বৃষ্টি, তুমিই চৈত্রের শেষ রাত,
নতুন বছরের প্রথম সকালে তোমার হাতেই আমার হাত।
তুমি আমার নতুন বছরের প্রথম পহেলা বৈশাখ,
আমার চেনা চেনা জীবনে তুমি এক অচেনা ডাক।

ছড়া_বৃষ্টির নূপুর_ছড়াকার_কিশোর দুলাল রায়

বৃষ্টির নূপুর
কিশোর দুলাল রায় 

​ঝমঝমঝম বৃষ্টি নামে,
মেঘের মাদল বাজে,
বকুল তলায় কদম হাসে
নতুন কনের সাজে। 

​ব্যাঙের দল ওই ডাকছে জোরে,
ঘেঁষছে না কেউ ঘর,
পুকুর পাড়ে হাসছে দেখো
কচি কলাপাতা থরথর।

​মাঠের মাঝে কৃষক ভাই
ভিজছে মনের সুখে,
ঠাণ্ডা হাওয়ায় শান্তির রেখা
সবার হাসি মুখে।

​খোকা বানায় কাগজের নাও,
ভাসায় জলের টানে,
বৃষ্টির সুর লুকিয়ে আছে
মাটির গভীর গানে।

#kishordulalroy #ছড়া #banglasong

ছড়া_বাবার আঙুল ধরে_ছড়াকার_কিশোর দুলাল রায়

বাবার আঙুল ধরে 
কিশোর দুলাল রায় 

ছোট্ট দুটি হাত বাড়িয়ে, 
দিলে যখন ডাক
আমার সারা পৃথিবীটা,
 থমকে গিয়ে থাক।

বাবার আঙুল শক্ত করে, 
ধরলি যখন তুই
মনে হলো আকাশটাকে, 
আজ আমিই ছুঁই।

তোর হাসিতেই শুরু আমার, 
মিষ্টি কোনো ভোর
সারাটা দিন কাটবে ভালো, 
মায়ায় বাঁধা তোর।

আঁচল ধরে পিছু পিছু, 
করিস যখন আড়ি
মুহূর্তে সব ক্লান্তি ভুলে, 
দিই সুখেরই পাড়ি।

তোর চোখের ওই কাজল কালো, 
স্নিগ্ধ মেঘের ছায়া
বাবার বুকেই জমিয়ে রাখিস, 
এক সমুদ্র মায়া।

একটু একটু বড় হবি, 
পাল্টে যাবে দিন
আসবো ফিরে আপন নীড়ে, 
শোধ হবে না ঋণ।

একদিন হয়তো যাবি দূরে, 
নতুন কোনো ঘরে
বাবার দুচোখ ঝাপসা হবে, 
তোরই কথা স্মরে।

তবুও তুই থাকবি মিশে, 
আমার প্রাণের সুর
তোর জন্য এই আশীর্বাদ থাক-
পথটা হোক রোদ্দুর।
তুই যে আমার ছোট্ট পরি, 
আমার শ্রেষ্ঠ দান
তোকে নিয়েই বেঁচে থাকার, 
সহস্র এক গান।

ছড়া_মাটির টানে মিঠুরকান্দি

মাটির টানে মিঠুরকান্দি 
কিশোর দুলাল রায় 

চাঁদপুর জেলার বুক চিরে ভাই, 
মতলব উত্তর থানা
আমার সোনাঝরা সেই গ্রামখানি, 
সবার অতি চেনা।

সবুজ শ্যামল মায়ার আচল, 
স্নিগ্ধ সুবাস মাখা—
হৃদয় জুড়ে মিঠুরকান্দি, 
ছবির মতো আঁকা।
ও আমার মিঠুরকান্দি, 
প্রাণের মাঝে আঁকা।
মেঘনা নদীর শীতল হাওয়া 
বয় যে গাঁয়ের গায়
রাখাল ছেলে বাঁশি বাজায় 
বটবৃক্ষের ছায়।

ফসলি মাঠের সোনালি রঙ, 
রোদে ঝিলমিল করে
শান্ত সুখের এই ঠিকানায়, 
মনটা শুধু ভরে।

আমার মাটির মায়ায় ঘেরা, 
মিঠুরকান্দি গ্রাম
জপতে থাকি মনে মনে, 
প্রিয় তোমার নাম।
পুকুর ঘাটে গাঁয়ের বধূ, 
কলস ভরে জল
উঠান জুড়ে হাসছে শিশু, 
আনন্দ কলরল।

পাখিদের গুঞ্জন কানে আসে, 
স্নিগ্ধ ভোরে ভাই
এমন মায়ার শান্ত ভূমি, 
আর তো কোথাও নাই।

আপন মানুষ, সহজ সরল, 
সবার মনে প্রীতি—
মিঠুরকান্দির মানুষগুলো, 
ভালোবাসা আর নীতি।
যেখানেই যাই যেথায় থাকি, 
ভুলতে তোমায় নারি
স্মৃতির পাতায় অমলিন রয়, 
প্রিয় জন্মভিটা বাড়ি।

চাঁদপুর আমার অহংকার ভাই, 
মতলবের ঐ শান—
মিঠুরকান্দি গ্রামটি আমার, 
পরান ভরা গান।
সবুজ শ্যামল মায়ার আচল, 
স্নিগ্ধ সুবাস মাখা—
হৃদয় জুড়ে মিঠুরকান্দি, 
ছবির মতো আঁকা।
ও আমার মিঠুরকান্দি, 
প্রাণের মাঝে আঁকা।
#kishordulalroy #ছড়া #banglasong

Friday, 12 June 2026

ছড়া_তোর চোখের মায়ায়

তোর চোখের মায়ায় 
কিশোর দুলাল রায় 

তোর চোখের মায়ায় পইড়া আমি
হয়ে গেছি নিঃশেষ,
বুঝলাম না রে কোন জাদুতে
বদল পেলি বেশ।

তুই বুক গভীরে ঝড় তুলিলি,
মন যে ব্যাকুল আজ,
তোর হাসিতেই হারিয়ে ফেলেছি
আমার যত কাজ।
​কাজল কালো ওই দু'টি চোখ
যেন মেঘে ঢাকা রাত,
ইশারাতে ডাকিস যখন
বাড়াই ব্যাকুল হাত।

কী এক নেশা জড়িয়ে আছে
তোর ওই চোখের চাওয়ায়,
মনটা আমার উথাল-পাথাল
প্রেমের মাতাল হাওয়ায়।
​তোর চোখের মায়ায় পইড়া আমি
হয়ে গেছি নিঃশেষ,
বুঝলাম না রে কোন জাদুতে
বদল পেলি বেশ।

​তোর কারণে একলা রাতে
ঘুম আসে না চোখে,
হাজারো সুখের একটা নদী
বইছে আমার বুকে।

তুই যদি চাস দেবো সঁপে
আমার এ জীবন,
তোর মায়াতেই বন্দী থাকুক
আমার অবুঝ মন।

​নিঃশেষ হয়েও আমি যে আজ
হতে চাই তোর শুরু,
তোর ছোঁয়াতে কাঁপুক রে এই
বুকের দুরুদুরু।

#kishordulalroy #ছড়া #banglasong #song #বাংলাগান

Thursday, 11 June 2026

ছড়া_হৃদয়ের নীল দিগন্তে

হৃদয়ের নীল দিগন্তে 
কিশোর দুলাল রায় 

হৃদয়ের নীল দিগন্তে তুমি 
ভোরের স্নিগ্ধ আলো,
অবুঝ মনের সকল আবেগ, 
তোমায় বেসেছি ভালো।

যতদূর চোখ যায় আমার, 
দেখি তোমারই ছবি আঁকা,
তুমি হীনা এই জীবন যেন 
একলা পথে একা থাকা।

এক আকাশ মায়া নিয়ে 
নামো আমারই উঠোনে,
হাজার তারার ভিড়ে তোমায় 
খুঁজি নিভৃত কোণে।

তোমার মায়ায় ঘেরা চোখে 
শান্ত শীতল নদী,
সুখ খুঁজে পাই আমি 
তোমার পাশে থাকি যদি।
স্বপ্নগুলো ডানা মেলে 
তোমারই পানে চায়,
ভালোবাসার রঙিন সুতোয় 
মন যে হারিয়ে যায়।

না বলা সব কথার মাঝে 
তুমিই শেষ কথা,
তুমি আছো বলেই ঘুচে যায় 
সব মনের নীরব ব্যথা।
শরৎ মেঘের ভেলা হয়ে 
ভাসি তোমার আকাশে,
সুখ-পাখিটা গান গেয়ে যায় 
মৃদু স্নিগ্ধ বাতাসে।

জন্ম জন্মান্তর এভাবেই 
থেকো আমার হয়ে,
গল্পগুলো পূর্ণ হোক 
প্রেমের জোয়ার বয়ে।

#kishordulalroy #ছড়া #banglasong

ছড়া_মাটির ঋণ

মাটির ঋণ
কিশোর দুলাল রায়

সবুজে শ্যামলে ঘেরা
আমার সোনার গাঁ
মায়ের আঁচল বিছানো
এই আমার বাংলা।

বুকের গভীর থেকে জাগে
একটিই সুর—
মা গো,তোমার মায়ায় জুড়ায়
দুচোখ বহুদূর।

পদ্মা-মেঘনা-যমুনা যার
শিরায় শিরায় বয়,
যাঁর দামাল ছেলের রক্তে
কেনা শ্রেষ্ঠ বিজয়।

একুশের সেই বর্ণমালায়
প্রাণের স্পন্দন,
মাটির টানেই বাঁধা আছে
এই জীবনের বন্ধন।

ভোরের পাখি গাইছে গান
শিমুল-পলাশ বনে,
তোমার ছবি আঁকা আছে
প্রতিটি বাঙালির মনে।

হাজার বছর বেঁচে থাকুক
তোমার জয়গান,
তুমিই তো মা আমাদের
সবার গর্ব, সবার মান।

লাখো শহীদের আত্মত্যাগে
পেয়েছি এই ভূমি,
বিশ্বের বুকে মস্তক আমার
উঁচিয়ে রাখো তুমি।

যতদিন রবে চন্দ্র-সূর্য,
রইবে আমার দেশ,
তোমার তরেই সঁপে দেব
এ প্রাণের অবশেষ।

সবুজে শ্যামলে ঘেরা
আমার সোনার গাঁ
মায়ের আঁচল বিছানো
এই আমার বাংলা।

জয় বাংলা, জয় বাংলা,
আমার প্রিয় দেশ—
তোমার মাঝেই খুঁজে পাই
সুখের অন্তহীন রেশ।

#kishordulalroy #ছড়া #banglasong

ছড়া_সোনালী সকাল

সোনালী সকাল 
কিশোর দুলাল রায় 

ঝরলো আলো আকাশ ছেয়ে, 
সোনালী এক ভোরে,
পাখির ডানায় গান জাগলো, 
মন যে কেমন করে। 

ঘুম ভেঙেছে সবুজ ঘাসে, 
শিশির কণায় হাসে,
একটি নতুন দিনের শুরু, 
মিষ্টি হাওয়া ভাসে।
মেঘে মেঘে রোদের ছোঁয়া, 
আলতো করে মাখা,
দিগন্তের ওই ক্যানভাসেতে 
স্বপ্ন যেন আঁকা।

ক্লান্তি ভুলে এক নিমেষে 
মনটা ডানা মেলে,
আজকে চলি আলোর পথে, 
সব আঁধারকে ফেলে।
ঝরলো আলো আকাশ ছেয়ে, 
সোনালী এক ভোরে,
পাখির ডানায় গান জাগলো, 
মন যে কেমন করে।
নতুন আশার এই আলোতে 
দুঃখ যাক না ধুয়ে,
যাবো আমি আজকে সুদূর, 
নীল আকাশকে ছুঁয়ে।

নদীর বুকে সোনার তরী, 
বইছে মৃদু বায়ে,
জেগে উঠলো জীবন আবার, 
শহর থেকে গাঁয়ে।
সোনালী এই সকাল আমার, 
নতুন চাওয়া মনে,
পথ চলা আজ শুরু হলো, 
এই তো শুভক্ষণে।

Tuesday, 9 June 2026

ছড়াঃ- শরৎ


শরৎ
কিশোর দুলাল রায়

নীল আকাশে ভাসে
সাদা মেঘের ভেলা,
পুব আকাশে সূর্য হাসে
শিশুরা করে খেলা ।
দক্ষিণা বাতাস বহে
হাওয়ায় দোলে কাঁশফুল,
স্রোত বহে আপন ধারায়
নদী হারায় দুই কূল ।
বর্ষার পর শরৎ আসে
জীবন তোলে জাগিয়ে,
মিষ্টি মধুর রূপ দিয়ে
মনকে তোলে সাজিয়ে ।
শারদীয় শরৎ নিশি
তাঁরায় করে খেলা,
শরতের আকাশে পূর্ণিমা
মন করে আত্মভোলা ।।

বিঃ দ্রঃ ১১ই সেপ্টেম্বর ২০০৬ইং দৈনিক
বাংলাবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত ।

ছড়াঃ- বাংলা ভাষা


বাংলা ভাষা
কিশোর দুলাল রায়

বাংলা আমার লক্ষ্য শহীদের
লক্ষ্য প্রাণের আশা,
বাংলা আমার মমতাময়ী
মায়ের ভালোবাসা ।
ভালো লাগে আমার
মায়ের বাংলা বুলি,
বাংলা আমার নীল আকাশে
রং করা এক তুলি ।
যুদ্ধের কথা শুনলে আমি
দুঃখ পাই নিজে,
বাংলা ভাষায় কথা বলি
মধুর লাগে কি যে ।
ভাষার জন্য যারা জীবন
করে গেলে দান,
তোমাদের জানাই আমরা
শ্রদ্ধা ও সন্মান ।।

বিঃ দ্রঃ এই ছড়াটি ৫ই
ফেব্রুয়ারী ২০০৭ইং দৈনিক বাংলাবাজার
পত্রিকায় প্রকাশিত ।